Thursday, 7 July 2011

Ghumer manush an exceptional Sonnet poem .

ওহে শত কাজে ব্যস্ত জন, ভাই-বোনরা ! কখনও কি লুটিয়েছো এ মজা, যাতে তুমিই প্রজা আবার তুমিই সকল কিছুর রাজা!   করেছো কি পরখ?- কাটিয়ে সকাল-দুপুর-রাত্রি এ সুখের ঘুমে...
ঘুমের মানুষ
তারেক বিন ইকরাম
ছাড়ো! ছাড়ো!! এত রাত -অ্যাহ! এগারটা?

বিছাও  কাঁথা, ওহরে গরম! চালিয়ে-

ভূতের পাখা; ভরাবো এখন মনটা ।

আরে ভাই ঘুমাবো ! যা না রে ঘরে ফিরে।



ভালো কি লাগে? উঠে এত বিহান বেলা-

আট-নয়টা!তাতে কি? ডুবে আছি ঘুমে;

দুপুরের খাওয়া শেষে- চোখে একি নেশা?

দিতে হবে পাড়ি, দিবা-সুখের এ রাজ্যে।



রাত্রি-সকাল-দুপুর কিংবা এ বিকাল!

যদি ভাই জুটে, একটু-আকটু ফাঁকা,

বলতো মন! না ঘুমিয়ে যায় কি থাকা?

কিভাবে বুঝবে তারা? থেকে এত ব্যস্ত!

একাজ-সেকাজে, খাটিয়ে ছোট্ট এ মাখা!

দেখো না ঘুমিয়ে- এ ঘুমে, কত যে মজা!

Tuesday, 5 July 2011

A Real sonnet from my inner Heart, Glani!!


গ্লানি
এ কবিতাটির রয়েছে একটি কালজয়ী পটভূমি যা আমাকে সদা নাড়া দিতে থাকে।যিনি এখানে আলোচিত তিনি আমার অতি শ্রদ্ধেয় এক গুরুজন।তাই তা প্রকাশ করতে পারলমা না, থাক না!!তা না হয় হলো জানা, কেবল মাত্র আমার হৃদয়ের কিছু বন্দনা হউক শোনা .............. 
গ্লানি
তারেক বিন ইকরাম
বিকিয়ে গোধূলী ? প্রকৃতি রে ব্যঙ্গ করে,
অসুখ-বিসুখ?তা সব পিছনে দিয়ে ফেলি,
নানা ব্যস্ততা,শত দায়িত্ব নিয়ে ঘাড়ে;
দাঁড়িযে গাদা-গাদি, জল-কাদা দিয়ে পাড়ি ।

এটা-সেটা কত কি? জানিয়ে অবুঝরে,
ঠিক-বেঠিক যাই হউক, হয়ে রাজি।
নেয় শুনে, শত উপদেশ গুরুজনে;
মনঃপত না হলে, সঙ্গ-গোপনে আঁড়ি!

কি হাস্যকর!আকাশ-পাতাল,সুমেরু
ধবলে ঢাকা কুমেরু, তাও জানা নাকি!
সাবাশ!! হতেই হবে- সর্ব জ্ঞানাধারানি।
এ অজ্ঞের হয়তো বা জানা আছে কিছু,
স্বাগত! তোমা প্রদত্ত!স-শ্রদ্ধ এ গ্লানি!
জানাই সালাম! উহ! কত যে ধন্য এ আমি।



Sunday, 3 July 2011

a kemon Valo laga , another (Rupok) sonnet kobita


এ কেমন ভালো লাগা ?????
খুব সকাল বেলা! যখন আলো-আধারের মাখামাখি! তখনও শিশির ঝড়ছে! চার দিকে একে বারে কোলাহল বিহীন পরিবেশ! হঠা দু‌‌‌‌‍’প্রান্তে খুব মৃদু স্বরের কিচির-মিচির শব্দ!!!তা আর কিছূই না- ডালিম গাছের নিচে কেবল মাত্র দু’টি কবুতর শাবকের আলিঙ্গন.....................এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া এক হৃদয -বিদারক ইতি টানার করুণ কাহিনী!!! (এটি একটি রুপক (সনেট) কবিতা যার বাস্তবতা হযতো কারো-করো জীবেন ঘটে থাকতে পারে বা ঘটবে অদুর ভবিষ্যতে আর এটা খুবই স্বাভাবিক!!!)
এ কেমন ভালো লাগা ?????
তারেক বিন ইকরাম।
নীড় ছেড়ে বেরিয়ে,পহেলা দেখা হলো-
এ অচেনা কপোত-কপোতি শাবকের ।
সন্ধিকালে আপন করে সদা মাতালো-
ঘুরে-ফিরে, নেচে-গেয়ে এ মাঠ প্রান্তর ।

কেমনে জানাবে? তারে যে লাগে ভালো!
মনের বাসনা হলো-পূর্ন; সেই বার !
যবে সঁপে-সখারে পূষ্প-পাপড়ি গুলো ।
গেল ফিরে বোকা? জিইয়ে প্রেম-অঙ্কুর!

পেল যে ফারাকে- হতে দক্ষ দিব্য জ্ঞানে;
তবু ভুলেনি! থেকে দুরে সে অভিমানি ;
পরিবে না মালা, হউক তা যত দামি!
শুনে এ বানী; প্রশান্তি বহে সখা মনে ।

কেন এ বজ্র-পাত? কেটে গেল যে তানি!
কপোত কে ছেড়ে? দিবে সে প্রবাস পাড়ি!!


Friday, 1 July 2011

sonnet kobita " Vukader Hongkar"


 ভূকাদের হুংকার
 আজ যে দিকে তাকায়! শুধু হত-দরিদ্রের এক অবর্ণনীয় আহাজারি, কালের কাছে তাদের বিফল তদবির কিংবা রুজি-রোজগারে হতাশ- বিহ্বল এক বিশাল জনগোষ্ঠীর এক করুন আর্তনাদ ।অপরদিকে গুটিকয়েক মাণুষ হয়ে উঠছে ধনী থেকে ধূনেকৃবের কেবল মাত্র তথাকথিত বিশ্বায়নের ছোয়ায়! এপেক-ওপেক- জাতি সংঘ –ন্যাটো-বিশ্ব-ব্যাংক,- আই এম এফ এর মত ধোকাবাজি আন্তর্জাতিক সংগঠন গুলোর অপার কৃপায় ।কিন্তু কেন এ বিশাল বিভেদের দেওয়াল তুলে দেওয়া স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্ট জীব, আশরাফুল মাখলুকাত, মানব জাতির মাঝে??????  আজ জাতি সংঘ নামক ঘাতকদের এর সমাবেশ , ন্যাটো নামের বিশ্ব সনত্রাসী জোট যখন-তখন বিনা অজু হাতে যেখানে-সেখানে রক্তের হলি খেলায় মত্ত  হচ্ছে । এপেক-ওপেক সারা দুনিয়ার চালিকা শক্তি,স্রষ্টার অপার নিয়ামত, সকল পেট্রোলিয়াম কে করে তুলেছে বিশ্ব মোড়ল –সন্ত্রাসী (আমেরিকা)এর পুজ্য বস্তুতে । ধিক আরব বিশ্ব! ধিক সকল পা চাটা গোলম কে!!!
বিশ্ব-ব্যাংক, আই এম এফ সহ শত শত সুদী ব্যাংক গুলো অর্থণৈতিক সহায়তার নামে সকল আফ্রিকান, এশিয়ান, আমেরিকান কিংবা খোদ ইউরোপের শত দেশ এর অধিবাসীকে বানাচ্ছে হত-দরিদ্র! তাই এখনই সময় জেগে উঠবার । য়ারা সত্যিকারের হৃদয়ের লালন করে, বিশ্ব মানবতার জন্য যাদের অন্তর এতটুকু নাড়া দেয় তাদের প্রতি ভুকাদের দলে আসার  আহবান । আর সেই সকল কাল সাঁপদের, যারা মানবতাকে করেছে বন্দি, ধরিত্রী কে করেছে বন্দীশালা !!তাদের প্রতি এ ভৃকাদের হংকার........
ভূকাদের হুংকার

তারেক বিন ইকরাম
নন্দিত-না-নিন্দিত! মানব বন্দি দশা ।

হায়েনারা আজ, চুষিছে ধমনি শেষে ।

পুলকিত সব? ধরাশয়ি বিশ্বসভা।

গেড়েছ চিবুনী, শত যত দেশে দেশে!



রুজি নাও কেড়ে? ঝেড়ে দয়ামায়া,

আই এম এফ – বিশ্ব ব্যাংক এর বেশে।

ডিজেল-মবিল-পেট্রোল চাই যে রাখা,

যেভাবে হোক!এপেক-ওপেকের কাছে ।



রক্ত ঝড়াও? বেঁধে এ সংঘ-গ্যাটো-ন্যাটো!

সাবধান! জেগেছে জনতা দলে দলে।

বেঁধেছে জোট! শত বাঁধ-বিভেদ ভূলে ।

ওরে কাল সাঁপ, তাড়াতাড়ি ভাগো!

হিম্মত গজেছে শত তরু-তাজা দিলে ।

বাঁধিবে সূখী এ ধরা! ভূকা-শোকা মিলে ।।

Monday, 27 June 2011

jare volobasi (sonet)


সকল মানুষ ভালোবাসার কাঙ্গাল , সে যেই হোক! তার অন্তরে কখনো না কখণো কারো না কারো জন্য সদা কিছু না কিছু অনুভূত হতে থাকে! থাকবে! আর এটাই চিরন্তন। তবে যারা সত্যিকারের হৃদয় লালন করে তারা এমনই কাউ কে তার চলার সহযাত্রী করে নিতে চাই, যে হবে না তার পথ চলার প্রতিবন্ধক কিংবা সন্দেহের উদ্দীপক । সে  হবে কেবলই তার চলার সাথী, সমমনা, একই আদর্শেল ধারক ও বাহক, সহমর্মী, সহ বেদনায় কাতর, সর্বপরি ভালোবাসার অংশীদার এবং ভাব বিনিময়ের অদ্বিতীয় একজনা।আর এমন একজনার উদ্দেশ্যে আমার এই সামান্য প্রয়াস............  
যারে ভালোবাসি!!
তারেক বিন ইকরাম
কে তুমি? বসতি মোর সমগ্র হৃদয় জুড়ে!

ভেবে নাহি পাই! বসিলে কেমনে হায়
শত কতম্বিনিরে স্মৃতি মোচন করে,
নিজেরই অজানাতে করে নিলে ঠাঁয় ।।

জানি কি? কত দরদ! ভরা সেই অন্তরে,
নাকি ছলনা? যত শত ভেবে না পায়!
আসলে সে শুভ্র? সহস্র মনের ভিড়ে,
মম কাতরে মেলিবে শত ভাগ দায় ।।

থাকিবে পথ চাহি, দিয়ে মস্তক দারে
রৌদ্রু দুপুরে!করে কর্ম কে অবহেলা,
সপিঁবে হৃদয় নিংড়ানো প্রেম পেয়ালা!!
স্বাগত জানাবে পুষ্প শোভিত যে নীড়ে,
প্রীত হবো দেখে, সে অবয় জাদু মাখা
সকল ছাঁপি তাই তোমাকে ভালোবাসা !!

Vabini kokhono (Sonet)

স্বাভাবিক ভাবেই একজন পুরুষের প্রতি একজন নারীর এবং  একজন নারীর প্রতি একজন পুরুষের আসক্তি থাকবেই যদি কিছু ভালো লাগার কিছু দিক থেকে থাকে সেটা বলা বাহল্য। তদুপুরি সে চাই তার ভালোলাগার সে মানুষটি তার একান্ত সান্নিধ্যে পেতে যা তার মনের অভিলাষ হয়ে উঠে কিন্ত প্রকৃতিগত এই চাওয়া পাওয় হতে হবে একটি সুশৃংখল এবং কাল,স্হান এবং পাত্রভেদে নতুবা মহান সৃষ্টিকর্তার চিরন্তন ব্যবস্থায় দেখা দিবে এক অনাকাক্ষিত অবস্থা। তাই এই আমর ক্ষুদ্র প্রয়াস............
                        
ভাবিনি কখনো!!!!
তারেক বিন ইকরাম
ভাবিনি কখনো! অন্তরে- তোমারি শম হিলা!
বুঝিনি তখনো! অপরূপ-দামি সাঁজে;
ছড়িয়ে-সুবাস, নখে-রিং,জড়িয়ে সাদা;
না বুঝে তা, চিবিয়েছি মশি শুধু দাঁতে।

দেখিতে স্বজন, তোমারি অসুখ পিতা;
এসেছিল জ্ঞাতক, তাদের যাত্রী দলে;
জানলাম! বুঝে তোমাদেরি আখি ভাঁষা।
ঋজু তার চাহনি, মম আস্তিন পানে।

মানি আমি; থাকে আশেক-মাশুকে টান।
তাই বলে! ভেসে যাবো গড্ডালিকা ভিড়ে?
করি আহবান! ফিরে এসো আলো তীরে,
মেনে নাও; স্রষ্টার যা শ্বাশ্বত বিধান।
বুঝে নাও কর্ম তোমার, অলীক ছাড়ি-
হয়ে ওঠো জাগ্রত-আলোকবর্তী নারী।